আংটির মাপ বের করুন — Ring Size
আঙুলের পরিধি বা পুরনো আংটির ভেতরের ব্যাস মিলিমিটারে দিন · সাইজ সঙ্গে সঙ্গে
প্রিন্ট করে মাপার স্কেল
এই অংশটি প্রিন্ট করুন ১০০% স্কেলে — প্রিন্ট ডায়ালগে "Fit to page" বা "Scale to fit" বন্ধ রাখবেন।
কীভাবে ব্যবহার করবেন: প্রিন্ট করে স্কেলটি কেটে নিন। ATM বা NID কার্ড বসিয়ে দেখুন উপরের বাক্সের সমান হচ্ছে কি না — হলে প্রিন্ট ঠিক আছে। এবার সরু একটা কাগজের ফিতা আঙুলে জড়িয়ে যেখানে মিলবে সেখানে দাগ দিন, ফিতাটি খুলে স্কেলে বসিয়ে মিলিমিটার পড়ে নিন। সেই সংখ্যাটাই উপরের ঘরে বসান।
মাপ নেওয়ার সময় যা মনে রাখবেন: দিনের শেষে আঙুল একটু ফোলা থাকে, তাই বিকেলে মাপলে বাস্তবসম্মত হয়। খুব ঠান্ডায় আঙুল সরু হয়ে যায়। আংটি গিঁটের উপর দিয়ে ঢুকতে হবে, তাই গিঁট মোটা হলে আধা সাইজ বড় নিন। চওড়া ব্যান্ডের আংটি একটু টাইট লাগে — চওড়া ডিজাইনে আধা সাইজ বড় নেওয়াই ভালো।
আংটির সাইজ চার্ট — মিলিমিটার, ব্যাস ও US সাইজ
নিচের টেবিলে আঙুলের পরিধি, আংটির ভেতরের ব্যাস আর US সাইজ পাশাপাশি দেওয়া আছে। বাংলাদেশে দোকানভেদে নিজস্ব নম্বর ব্যবহার হয়, কিন্তু মিলিমিটারের মাপটা সব জায়গায় এক — তাই অর্ডারের সময় মিলিমিটারই বলা সবচেয়ে নিরাপদ।
| US সাইজ | ভেতরের ব্যাস (মিমি) | পরিধি (মিমি) |
|---|
মাপ নেওয়ার দুইটা উপায়
১. আঙুল মেপে (পরিধি)। সরু একটা কাগজের ফিতা বা সুতা যে আঙুলে আংটি পরবেন তাতে জড়ান — খুব টাইটও নয়, ঢিলাও নয়। যেখানে দুই মাথা মিলছে সেখানে কলম দিয়ে দাগ দিন। ফিতাটি খুলে স্কেলে বসিয়ে দাগ পর্যন্ত মিলিমিটারে মাপুন। এই সংখ্যাটাই পরিধি।
২. পুরনো আংটি মেপে (ব্যাস)। যে আংটিটা ঠিকঠাক ফিট হয় সেটার ভেতরের এক দিক থেকে অন্য দিক স্কেলে মাপুন — ভেতরের ব্যাস। উপরের ক্যালকুলেটরে "আংটির ভেতরের ব্যাস" বেছে নিয়ে সংখ্যাটা বসান।
দুই ক্ষেত্রেই মিলিমিটার ব্যবহার করবেন, ইঞ্চি নয় — ইঞ্চিতে মাপলে ছোট ভুলও এক-দুই সাইজ এদিক-ওদিক করে দেয়।
যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয়
- গিঁটের কথা ভুলে যাওয়া। আংটি আঙুলের গিঁট পেরিয়ে ঢুকতে হয়। গিঁট মোটা হলে আধা সাইজ বড় নিন, নইলে পরাই যাবে না।
- সকালে বা ঠান্ডায় মাপা। ঠান্ডায় আঙুল সরু থাকে, গরমে ও দিনের শেষে একটু ফোলা। বিকেলে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় মাপাই সবচেয়ে কাছাকাছি হয়।
- চওড়া ব্যান্ডের হিসাব না করা। ব্যান্ড যত চওড়া, আঙুলে তত টাইট লাগে। ৬ মিমির বেশি চওড়া ডিজাইনে আধা সাইজ বড় নেওয়া ভালো।
- অন্য আঙুলের আংটি দিয়ে মাপা। ডান ও বাম হাতের একই আঙুলেও মাপ আলাদা হয়, সাধারণত কাজের হাতটা একটু বড়।
- সুতা টান দিয়ে মাপা। সুতা টেনে ধরলে মাপ ছোট আসে। আলগা করে জড়িয়ে দাগ দিন।
উপহার দিতে চাইলে, মাপ না জেনে
চমক দিতে চাইলে সবচেয়ে সহজ কৌশল — তার এমন একটা আংটি নিয়ে আসুন যেটা সে নিয়মিত পরে, আমরা মিলিয়ে দেব। অথবা সাইজ নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে কানের দুল, চেইন বা লকেট বেছে নিন — এগুলোয় মাপের ঝামেলা নেই। আংটির সাইজ সামান্য এদিক-ওদিক হলে বেশির ভাগ ডিজাইনে রিসাইজ করা যায়, তবে পাথর বসানো বা ফুল-এটার্নিটি ডিজাইনে সেটা কঠিন — তাই এ ধরনের আংটিতে মাপটা আগে থেকে নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো।
Ring Size Chart for Bangladesh
There is no separate national ring-size scale in Bangladesh — shops here work from the inside diameter in millimetres, and many also quote the US number. So the safest thing to tell a jeweller is the millimetre measurement itself.
To find it, wrap a thin paper strip around the finger, mark where it meets, then measure the marked length in millimetres — that is the circumference. Or measure the inside diameter of a ring that already fits. Put either figure into the calculator above and it gives you the US size along with the exact diameter and circumference.
Measure late in the day at normal room temperature, allow for a thick knuckle, and go half a size up for bands wider than about 6 mm. To order, call, imo or WhatsApp +8801710-439375.
প্রশ্নোত্তর
বাড়িতে আংটির মাপ কীভাবে নেব?
সরু একটা কাগজের ফিতা আঙুলে আলগা করে জড়িয়ে যেখানে দুই মাথা মিলছে সেখানে দাগ দিন, ফিতা খুলে স্কেলে মিলিমিটারে মাপুন — ওটাই পরিধি। অথবা যে আংটি ঠিক ফিট হয় তার ভেতরের ব্যাস মাপুন।
কখন মাপ নিলে সবচেয়ে ঠিক হয়?
বিকেলে, স্বাভাবিক তাপমাত্রায়। ঠান্ডায় আঙুল সরু হয়ে যায় আর দিনের শেষে একটু ফোলা থাকে, তাই সকালে বা খুব ঠান্ডায় মাপলে মাপ ছোট আসে।
আঙুলের গিঁট মোটা হলে কী করব?
আংটি গিঁট পেরিয়ে ঢুকতে হয়, তাই গিঁট মোটা হলে আধা সাইজ বড় নিন। ব্যান্ড ৬ মিলিমিটারের বেশি চওড়া হলেও আধা সাইজ বড় নেওয়া ভালো।
সাইজ ভুল হলে কি বদলানো যায়?
বেশির ভাগ সাধারণ ডিজাইনের আংটি রিসাইজ করা যায়। তবে পুরো রিং জুড়ে পাথর বসানো বা এটার্নিটি ডিজাইনে রিসাইজ করা কঠিন — এ ধরনের আংটিতে মাপ আগে নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো।
বাংলাদেশে আলাদা কোনো রিং সাইজ স্কেল আছে?
আলাদা জাতীয় স্কেল নেই। দোকানভেদে নিজস্ব নম্বর থাকতে পারে, কিন্তু ভেতরের ব্যাস মিলিমিটারে সব জায়গায় এক। তাই অর্ডারের সময় মিলিমিটারের মাপটা বলাই সবচেয়ে নিরাপদ।
আরও ফ্রি টুল
- আজকের সোনা ও রুপার দামবাজুসের সর্বশেষ দর — গ্রাম, আনা ও ভরিতে
- আনা ও ভরি অনুযায়ী দাম১ আনা থেকে ১০ ভরি — সব ক্যারেটে লাইভ চার্ট
- গহনার মোট বিল ক্যালকুলেটরদাম ও মজুরি আলাদা করে মোট কত পড়বে
- ওজন কনভার্টারভরি, আনা, রতি ও গ্রামে ওজন বদলান
- ক্যারেট ভ্যালু ক্যালকুলেটর২২, ২১, ১৮ ও সনাতনে দাম পাশাপাশি দেখুন
- বিশুদ্ধতা কনভার্টার৯১৬, ৮৭৫, ৭৫০ কত ক্যারেট ও কত দাম
- পুরনো সোনা বদলের হিসাবকাটতিসহ হিসাব করে দেখুন আর কত লাগবে
- সোনার সঞ্চয় হিসাবমাসে কত জমালে কত মাসে কেনা যাবে
- বিয়ের গহনার বাজেট প্ল্যানারবাজেট ভাগ করে দেখুন কত ভরি হবে
- সোনার দামের ইতিহাসগত ২৪ মাসের চার্ট ও ২০০৭ থেকে বছরভিত্তিক দাম
- কোন দিন দাম কত ছিল২০০৭ থেকে যেকোনো তারিখের দর ও তুলনা
- যাকাত ক্যালকুলেটরসোনা, রুপা ও নগদের যাকাত — নিসাবসহ হিসাব
- সব ফ্রি টুল একসাথেসোনার হিসাবের সবগুলো ক্যালকুলেটর
- আজকের রুপার দামবাজুস ঘোষিত সব ক্যারেটের রুপার দর
- রুপার দামের ইতিহাস২০১০ সাল থেকে আজ পর্যন্ত রুপার দর
- রুপার গহনার মোট বিলওজন, মজুরি ও পাথর মিলিয়ে মোট বিল
- পুরনো রুপা বদলের হিসাবকাটতি বাদে হাতে কত আসবে









0 Reviews