নিত্যনতুন রুপার গহনার সমাহার পেতে আজই রূপাঞ্জলী ফেসবুক পেইজটি ফলো করুন! Follow
0
SUBTOTAL :

৯১৬ কত ক্যারেট? হলমার্ক ও BSTI যাচাই | Hallmark BD

৯১৬ মানে কত ক্যারেট — এক লাইনে উত্তর

৯১৬ মানে ২২ ক্যারেট। সংখ্যাটা ক্যারেট নয়, বিশুদ্ধতার হাজার-ভাগের হিসাব — অর্থাৎ ১,০০০ ভাগ ধাতুর মধ্যে ৯১৬ ভাগ খাঁটি সোনা, বাকি ৮৪ ভাগ খাদ (সাধারণত তামা ও রুপা)।

ক্যারেটে বদলানোর নিয়মটা সহজ — বিশুদ্ধতার ভগ্নাংশকে ২৪ দিয়ে গুণ করুন:

০.৯১৬ × ২৪ = ২১.৯৮ ≈ ২২ ক্যারেট

ছাপখাঁটি সোনাক্যারেটহিসাবকোথায় ব্যবহার হয়
৯৯৯৯৯.৯%২৪০.৯৯৯ × ২৪বার ও কয়েন। এত নরম যে গহনা বানানো যায় না
৯১৬৯১.৬%২২০.৯১৬ × ২৪ = ২১.৯৮বাংলাদেশে গহনার সবচেয়ে প্রচলিত মান
৮৭৫৮৭.৫%২১০.৮৭৫ × ২৪ = ২১.০গহনা, কিছুটা শক্ত
৭৫০৭৫.০%১৮০.৭৫০ × ২৪ = ১৮.০পাথর বসানো গহনা — প্রং শক্ত থাকে
৫৮৫৫৮.৫%১৪০.৫৮৫ × ২৪ = ১৪.০বাংলাদেশে কম, বিদেশি গহনায় দেখা যায়
৩৭৫৩৭.৫%৯০.৩৭৫ × ২৪ = ৯.০বাংলাদেশে প্রায় নেই

বিশুদ্ধতা নিয়ে আরও হিসাব করতে বিশুদ্ধতা ৯১৬/৮৭৫/৭৫০ কনভার্টার ব্যবহার করতে পারেন।

৯১৬ কেন, ১০০০ কেন নয়

খাঁটি সোনা খুব নরম — নখের আঁচড়েও দাগ বসে, আর গহনার নকশা ধরে রাখতে পারে না। তাই গহনা বানাতে কিছুটা খাদ মেশাতেই হয়, যাতে ধাতুটা শক্ত হয়। ২২ ক্যারেটে ওই খাদের পরিমাণ এমনভাবে ধরা হয়েছে যাতে রঙ ও মূল্য প্রায় অটুট থাকে, অথচ গহনা টেকসই হয়।

এজন্যই দোকানে "২৪ ক্যারেটের গহনা" বলে কিছু বিক্রি হয় না। কেউ সেটা বললে প্রশ্ন করার কারণ আছে।

ক্যারেট বদলালে দামে কত তফাত হয়

সংখ্যাটা শুধু কাগজের ব্যাপার নয় — সরাসরি দামে লাগে। আজকের বাজুস দরে প্রতি গ্রাম:

মানপ্রতি গ্রাম১ ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম)
২২ ক্যারেট (৯১৬)— টাকা— টাকা
২১ ক্যারেট (৮৭৫)— টাকা— টাকা
১৮ ক্যারেট (৭৫০)— টাকা— টাকা
সনাতন— টাকা— টাকা

এই দর প্রতিদিন বদলায় — সর্বশেষটা সবসময় আজকের সোনার দামের পাতায়। মজুরি ও পাথরের দাম এর বাইরে।

সনাতন কোন সংখ্যায় পড়ে? সনাতন বাজুসের আলাদা একটা শ্রেণি, এবং এর কোনো প্রচলিত হলমার্ক সংখ্যা নেই — তাই গহনায় ৯১৬-র মতো ছাপ খুঁজে পাবেন না। বাজুস এর দর আলাদা করে প্রকাশ করে, আর তা ১৮ ক্যারেটের নিচে থাকে। সনাতন গহনা কেনার সময় ক্যারেটের ছাপের বদলে রসিদে "সনাতন" লেখা আছে কি না সেটাই দেখার জিনিস।

হলমার্ক আর ক্যারেটের ছাপ — এক জিনিস নয়

এই দুটো গুলিয়ে ফেলা খুব সাধারণ:

  • ক্যারেটের ছাপ (৯১৬ / ৮৭৫ / ৭৫০) — শুধু একটা সংখ্যা, যা দাবি করে ভেতরে কত ভাগ সোনা আছে। এটা যে কেউ বসাতে পারে।
  • হলমার্ক — স্বীকৃত পরীক্ষাগারে যাচাইয়ের পর বসানো পূর্ণ ছাপ, যেখানে বিশুদ্ধতার সংখ্যার পাশাপাশি পরীক্ষাগারের চিহ্ন ও জুয়েলারের চিহ্নও থাকে।

অর্থাৎ প্রতিটি হলমার্কে ক্যারেটের সংখ্যা থাকে, কিন্তু প্রতিটি সংখ্যা মানেই হলমার্ক নয়। নিচে পুরো হলমার্কে কী কী থাকে তা বিস্তারিত আছে।

আর কিছু লেখা একেবারেই বিশুদ্ধতার ছাপ নয় — GP, GEP (দুটোই প্লেটেড), GF (গোল্ড ফিল্ড), "1 Gram Gold", বা শুধু "Gold"। এগুলোর তফাত দেখুন গোল্ড প্লেটেড বনাম আসল সোনা পাতায়, আর যাচাইয়ের পদ্ধতিগুলো নকল সোনা চেনার উপায় পাতায়।

KDM নিয়েও একই বিভ্রান্তি — ওটা পুরনো একটা জোড়া লাগানোর পদ্ধতির নাম, ক্যারেট নয়। KDM লেখা থাকলেও ক্যারেট আলাদা করে জেনে নিতে হবে।

হলমার্ক আসলে কী

হলমার্ক হলো একটি আনুষ্ঠানিক ছাপ, যা প্রমাণ করে গহনার সোনার বিশুদ্ধতা যাচাই করা হয়েছে এবং তা দাবি করা ক্যারেটের সঙ্গে মিলে যায়। এটি দোকানের নিজের দেওয়া কোনো লেবেল নয় — স্বীকৃত পরীক্ষাগারে যাচাইয়ের পর বসানো হয়।

বাংলাদেশে BSTI-এর ভূমিকা

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (BSTI) দেশের পণ্যমান নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ করে। স্বর্ণের ক্ষেত্রে স্বীকৃত হলমার্কিং সেন্টারে গহনা পরীক্ষা করে বিশুদ্ধতার ছাপ দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) প্রতিদিনের সোনার দর ঘোষণা করে ও মান বজায় রাখতে ভূমিকা রাখে।

হলমার্কে সাধারণত যা থাকে

  • বিশুদ্ধতার সংখ্যা: ৯১৬ (২২ ক্যারেট), ৮৭৫ (২১ ক্যারেট) বা ৭৫০ (১৮ ক্যারেট)।
  • পরীক্ষাগারের চিহ্ন: কোন কেন্দ্রে যাচাই হয়েছে তার প্রতীক।
  • জুয়েলারের চিহ্ন: কোন প্রতিষ্ঠান গহনাটি তৈরি বা বিক্রি করেছে।
  • বছরের কোড: কোন বছরে হলমার্ক করা হয়েছে (সব ক্ষেত্রে থাকে না)।

ছাপটি কোথায় খুঁজবেন

হলমার্ক খুব ছোট হয়, তাই সাধারণত চোখে সহজে পড়ে না। দেখুন এই জায়গাগুলোতে:

  • আংটি: ভেতরের দিকে, রিংয়ের গায়ে।
  • চেইন ও নেকলেস: লকের কাছে ছোট ট্যাগ বা প্লেটে।
  • কানের দুল: পেছনের অংশে বা স্ক্রুর গোড়ায়।
  • চুড়ি ও বালা: ভেতরের পাশে।

দোকানে ম্যাগনিফাইং গ্লাস চেয়ে নিন — ভালো প্রতিষ্ঠানে সবসময়ই থাকে, আর দেখাতে কেউ আপত্তি করে না।

সোনার চুড়ি ও বালায় হলমার্ক — স্বর্ণাঞ্জলী জুয়েলার্স

হলমার্ক থাকলে কী কী সুবিধা

  • বিশুদ্ধতার নিশ্চয়তা: ২২ বলে ২১ দেওয়ার ঝুঁকি থাকে না।
  • বিক্রি ও এক্সচেঞ্জে ভালো দাম: ক্যারেট প্রমাণিত থাকায় দোকানকে সতর্ক হয়ে কম ধরতে হয় না।
  • দরকষাকষিতে সুবিধা: আপনার হাতে লিখিত প্রমাণ থাকে।
  • উত্তরাধিকারে স্বচ্ছতা: বহু বছর পরও গহনার মান নিয়ে বিতর্ক হয় না।

পুরনো সোনার দাম কীভাবে হিসাব হয় জানতে দেখুন পুরনো সোনা বিক্রি ও এক্সচেঞ্জের নিয়ম।

হলমার্ক থাকলেও যা যাচাই করবেন

হলমার্ক গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু একমাত্র জিনিস নয়। এগুলোও দেখে নিন:

  • রশিদে ওজন, ক্যারেট, মেকিং চার্জ ও ভ্যাট আলাদা করে লেখা আছে কিনা
  • ওজন আপনার সামনে ডিজিটাল মেশিনে নেওয়া হয়েছে কিনা
  • পাথর থাকলে পাথরের ওজন বাদ দেওয়া হয়েছে কিনা
  • ছাপটি স্পষ্ট ও পরিষ্কার কিনা — ঝাপসা বা এবড়োখেবড়ো ছাপ সন্দেহজনক
  • রশিদে লেখা ক্যারেট আর গহনার ছাপ একই কিনা

পুরনো গহনায় হলমার্ক না থাকলে

অনেক পুরনো গহনায় হলমার্ক থাকে না, কারণ আগে এই ব্যবস্থা এত প্রচলিত ছিল না। এতে ভয়ের কিছু নেই — গহনা নকল, এমন নয়। তবে বিক্রি বা বদলের সময় দোকান নিজে ক্যারেট পরীক্ষা করবে, আর তখন সামান্য কম মূল্য ধরা হতে পারে। চাইলে স্বীকৃত কেন্দ্রে পরীক্ষা করিয়ে নিতে পারেন।

নিজে যেসব প্রাথমিক পরীক্ষা করতে পারেন

বাড়িতে করা যায় এমন কিছু সহজ পরীক্ষা আছে, তবে এগুলো ইঙ্গিত দেয় মাত্র — চূড়ান্ত প্রমাণ নয়:

  • চুম্বক পরীক্ষা: সোনা চুম্বকে আকৃষ্ট হয় না। টানলে সন্দেহের যথেষ্ট কারণ আছে।
  • ঘনত্ব: সোনা বেশ ভারী — একই আকারের নকল সাধারণত হালকা লাগে।
  • রং ক্ষয়: কোণায় বা ঘষা লাগা জায়গায় অন্য রং বেরিয়ে এলে সেটি ধাতুর উপর প্রলেপ।

বিস্তারিত পদ্ধতি ও সতর্কতা রয়েছে নকল সোনা চেনার সহজ উপায় লেখায়।

যেসব ভুল ধারণা এড়িয়ে চলবেন

  • "হলমার্ক মানে দাম বেশি" — হলমার্কিংয়ের খরচ সামান্য; মূল দাম নির্ধারণ করে ওজন, ক্যারেট ও মেকিং চার্জ।
  • "KDM লেখা থাকলেই হলমার্ক" — KDM একটি ঝালাই পদ্ধতির নাম, বিশুদ্ধতার সনদ নয়।
  • "দোকানের সিল মানেই হলমার্ক" — জুয়েলারের নিজস্ব চিহ্ন আর স্বীকৃত হলমার্ক এক জিনিস নয়।

রশিদ কেন হলমার্কের সমান গুরুত্বপূর্ণ

হলমার্ক গহনার গায়ে থাকে, কিন্তু ওজন, দাম ও তারিখের প্রমাণ থাকে রশিদে। ভবিষ্যতে এক্সচেঞ্জ, মেরামত বা বিক্রির সময় দুটোই লাগে। তাই রশিদ যত্ন করে রেখে দিন — ছবি তুলে ফোনেও রাখতে পারেন।

শেষ কথা

হলমার্ক আসলে আপনার নিরাপত্তার সবচেয়ে সহজ হাতিয়ার। কেনার সময় শুধু একটি বাক্য বলা যথেষ্ট — "হলমার্ক আর ক্যারেটটা একটু দেখিয়ে দিন।" যে প্রতিষ্ঠান স্বচ্ছভাবে দেখাতে পারে, সেখানেই কেনা নিরাপদ।

আরও পড়ুন: ২৪, ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের পার্থক্য এবং গহনা কেনার আগে যা জানা দরকার।

স্বর্ণাঞ্জলী জুয়েলার্সে প্রতিটি গহনার ক্যারেট ও ওজন রশিদে স্পষ্ট উল্লেখ করা থাকে। বিস্তারিত জানতে ফোন করুন +৮৮০১৭১০-৪৩৯৩৭৫ নম্বরে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

৯১৬ কত ক্যারেট?

৯১৬ মানে ২২ ক্যারেট। সংখ্যাটা বিশুদ্ধতার হাজার-ভাগের হিসাব — ১,০০০ ভাগে ৯১৬ ভাগ খাঁটি সোনা। ০.৯১৬ কে ২৪ দিয়ে গুণ করলে ২১.৯৮ হয়, যাকে ২২ ক্যারেট ধরা হয়।

৮৭৫ আর ৭৫০ কত ক্যারেট?

৮৭৫ মানে ২১ ক্যারেট (৮৭.৫% সোনা) আর ৭৫০ মানে ১৮ ক্যারেট (৭৫% সোনা)। হিসাবটা একই নিয়মে — ০.৮৭৫ × ২৪ = ২১, আর ০.৭৫০ × ২৪ = ১৮।

২৪ ক্যারেটের গহনা পাওয়া যায়?

সাধারণত না। খাঁটি সোনা এত নরম যে নকশা ধরে রাখতে পারে না এবং সহজেই বেঁকে যায় বা দাগ পড়ে। ২৪ ক্যারেট সোনা বার ও কয়েনে থাকে, গহনায় নয়। কেউ "২৪ ক্যারেটের গহনা" বললে প্রশ্ন করার কারণ আছে।

সনাতন সোনা কত ক্যারেট?

সনাতন বাজুসের আলাদা একটা শ্রেণি, এর কোনো নির্দিষ্ট হলমার্ক সংখ্যা নেই এবং বিশুদ্ধতা ১৮ ক্যারেটের নিচে থাকে। বাজুস এর দর আলাদা করে প্রকাশ করে। সনাতন গহনায় ৯১৬-র মতো ছাপ খুঁজে পাবেন না — রসিদে "সনাতন" লেখা আছে কি না সেটাই দেখার জিনিস।

গহনায় ৯১৬ লেখা থাকলেই কি সেটা হলমার্ক করা?

না। শুধু সংখ্যাটা থাকা আর পূর্ণ হলমার্ক থাকা এক জিনিস নয়। হলমার্কে বিশুদ্ধতার সংখ্যার পাশাপাশি পরীক্ষাগারের চিহ্ন ও জুয়েলারের চিহ্নও থাকে। আর ছাপ নকল করাও সম্ভব, তাই রসিদ ও প্রয়োজনে নিরপেক্ষ পরীক্ষা মিলিয়ে দেখাই নিরাপদ।

স্বর্ণাঞ্জলীর সংগ্রহ দেখুন / Shop the collection

ক্যাটাগরি / Categories: সব গহনা / All jewellery · নেকলেস সেট / Necklace sets

দাম সোনার দৈনিক বাজারদর অনুযায়ী পরিবর্তন হতে পারে। অর্ডার ও তথ্যের জন্য ফোন, imo বা WhatsApp করুন +8801710-439375 নম্বরে — সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি, বগুড়া ও শেরপুরে ক্যাশ অন ডেলিভারি। Prices follow the daily gold rate. Call, imo or WhatsApp +8801710-439375 to order — home delivery across Bangladesh, cash on delivery in Bogura and Sherpur.

0 Reviews

TOTAL :
SHIPPING FEE :
GRAND TOTAL :

Thank . We received your oder.

Payment Method
Order ID
Date order
Total

Please make your payment directly via UPI transfer by scaning our below QR codes. Use your Order ID as the payment reference. Your order won't be shipped until the funds have cleared in our account.

Please make your payment directly into our bank account. Use your Order ID as the payment reference. Your order won't be shipped until the funds have cleared in our account.

Order detail:

Product Name:
Quantity:
Size:
Price:

Customer's detail:

Full name:
Email:
Phone number:
Postcode:
Address:
City:
State:
Country:

Contact Form

Name

Email *

Message *